No icon

বেগতিক অবস্থায় পড়েছে ইরান

কালজয়ী ডেস্কঃ  যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপের কারণে বেশ বেগতিক অবস্থায় পড়েছে ইরান। এ নিয়ে দেশ দুটির শীর্ষ নেতা ও কূটনীতিকরা আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে ক্ষোভও ঝেড়েছেন। ইরানের প্রধান নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিও এবার ঝাঝালো মন্তব্য করলেন। নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলার মাধ্যমে আমেরিকার গালে চড় মারার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (০৪ অক্টোবর ২০১৮) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বক্তব্যে দেশটির সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন খামেনি। রাজধানী তেহরানে হাজারও বেসিজ মিলিশিয়া ও রেভ্যুলেশনারি গার্ড নেতাদের সামনে এ বক্তব্য দেন তিনি। 

খামেনি বলেন, সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আমরা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়বো। নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়া মানেই আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়া এবং নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়ে ইরানের জনগণ অবশ্যই আমেরিকার গালে চড় মারবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরো অবনতি হতে থাকে। সর্বশেষ চলতি বছরের মে মাসে ইরানের পারমাণবিক হ্রাস বিষয়ক একটি চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন ট্রাম্প। ২০১৫ সালে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো এ চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি থেকে বেরিয়ে আসার পর ইরানের ওপর নতুন নতুন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপের কারণে বেশ বেগতিক অবস্থায় পড়েছে ইরান। এ নিয়ে দেশ দুটির শীর্ষ নেতা ও কূটনীতিকরা আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়ে ক্ষোভও ঝেড়েছেন। ইরানের প্রধান নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিও এবার ঝাঝালো মন্তব্য করলেন। নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলার মাধ্যমে আমেরিকার গালে চড় মারার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (০৪ অক্টোবর ২০১৮) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বক্তব্যে দেশটির সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন খামেনি। রাজধানী তেহরানে হাজারও বেসিজ র্মিলিশিয়া ও রেভ্যুলেশনারি গার্ড নেতাদের সামনে এ বক্তব্য দেন তিনি। খামেনি বলেন, সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আমরা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়বো। নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়া মানেই আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়া এবং নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়ে ইরানের জনগণ অবশ্যই আমেরিকার গালে চড় মারবে। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরো অবনতি হতে থাকে। সর্বশেষ চলতি বছরের মে মাসে ইরানের পারমাণবিক হ্রাস বিষয়ক একটি চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন ট্রাম্প। ২০১৫ সালে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো এ চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি থেকে বেরিয়ে আসার পর ইরানের ওপর নতুন নতুন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। 

খামেনি তার বক্তব্যে বলেন, এ জাতি, অঞ্চল এবং বিশ্বের পরিস্থিতি সংবেদনশীল। বিশেষ করে আমাদের ইরানের জনগণের পরিস্থিতি আরো বেশি সংবেদনশীল।এদিকে ২০১৮ সালের শুরু থেকেই ইরানের মুদ্রা বিয়ালের মুদ্রামান আনুমানিক ৭৫ শতাংশ কমে গেছে। আবার নভেম্বরের প্রথমেই ইরানের তেল খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 

Comment As:

Comment (0)